মহানবী হযরত মোহাম্মদ সঃ ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দে জন্ম করার ৪০ বছর অতিবাহিত নবু্য়্যত প্রাপ্ত হন।নবু্য়্যত প্রাপ্ত হয়ে প্রায় ১০ বছর ইসলামি দাওয়াত প্রচার করতেন। চাচা আবু তালিব যাওয়ার পর নবীজী একরকম নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েন।তখনই হিজরতের আদেশ প্রাপ্ত হন।
৬২২ সালে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) হিজরত করেন।তিনি মদিনাই হিজরত করার পর থেকে মুলত ইসলামের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘতে।আর তখনই যুদ্ধের প্রয়োজনিয়তা দেখা দেয়।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৮০ টির উপরে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন।ঐতিহাসিকগনের মতে ,রাসুল (সঃ)জীবদ্দশায় ২৭ টি বড় ও ৬০ টি ছোট যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন।মুফতি শাফি রহঃ তার সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া গ্রন্থে লিখেচেন,বড় যুদ্ধ ২৩ টি এবং ছোট যুদ্ধ ৪৩টি করেছিলেন রাসুল (সঃ)।মুসলমানদের প্রধান যুদ্ধ সমুহ নিম্নরুপঃ
১)বদরের যুদ্ধ
২)ওহুদের যুদ্ধ
৩)খন্দকের যুদ্ধ
৪)খায়বারের যুদ্ধ
৫)মক্কার যুদ্ধ
৬)হুনায়নের যুদ্ধ
৭)তাবুকের যুদ্ধ
মহানবী (সঃ)এর যুদ্ধনীতি সমুহঃ
১)প্রতিরোধ মুলক যুদ্ধ কৌশল।
২) আক্রান্ত হলে প্রতিহত করা।
৩)আত্তরক্ষার জন্য আক্রমণ করা।
৪)কোন সম্পদ নষ্ঠ থেকে বিরত থাকা(নিজস্ব অথবা কাফিরদের)।
৫)শিশু,নারীও বৃদ্ধদের আঘাত করা যাবে না।
৬)যুদ্ধবন্দিদের সাথে উত্তম ব্যবহার।
৭)ক্ষমা করা।
৮)মৃত শত্রুদের বিকলাঙ্গ করা যাবে না।
৯)যুদ্ধে সন্ধি বা চুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতেন।
পরিশেষে বলতে চাইঃমানবতার মুক্তির দূত রাসুল (সঃ)মানব জাতীর জন্য যে নীতি ও আদর্শ রেখে গিয়েছেন তা আজও অবিস্বরণীয়।তার মহানুভবতায় মুগ্ধ হয়ে অনেক শত্রু যুদ্ধের ময়দানে চুক্তি করেছেন।
আমরাও যেন রাসুল (সঃ)আদর্শ ওনীতি মেনে জীবন অতিবাহিত করতে পারি আমাদের কে আল্লাহ সে তৌফিক দান করেন।আমিন।
.png)
.png)