সুরা ইখলাস আল্লাহ তাআলা পবিত্র একক সত্তা পরিচয় প্রদান করেন।মক্কায় অবতীর্ণ সুরাটির আয়াত চার খানা।মক্কার কাফির, মুশরিকদের প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা এই সুরা নাজিল করেন।
ইখলাস অর্থ খালিছ মনে এক আল্লাহর উপর একত্ববাদের দৃঢ় বিশ্বাস করা।পবিত্র কোরআনে ১১২ নং সুরা ইখলাসে আল্লাহ তাআলা নিজের পরিচয় দিয়েছেন।
সুরাতুল ইখলাস এর উচ্চারণ
অর্থঃ(হে নবী আপনি) বলুন আল্লাহ একক এবং অদ্বিতীয়।
২)আল্লহুস সামাদ
অর্থঃআল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন।(আমরা সবাই আল্লাহর মুখাপেক্ষী)
৩)লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ
অর্থঃতিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং তাকেও কেউ জন্ম দেয় নি।
৪)ওয়ালাম ইয়া কুল লাহু কুফুয়ান আহাদ
অর্থঃতাহার সমকক্ষ আর কেউ নেই।
১)হজরত আবু সাঈদ খুরদী (রাঃ)হতে বর্নিত যে,এক ব্যাক্তি অন্য আরেক ব্যাক্তিকে রাতে বার বার সুরা ইখলাস পড়তে পড়তে শুনেছেন। বিষয় টি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) শানে অবগত করা হয়। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রান,অবশ্যই এ সুরা পবিত্র কোরআনুল কারীমের এক-তৃতীয়াংশের সমান।সহীহ বুখারী -৫০১৩,আবু দাউদ -১৪৬১,নাসাঈ-২/১৭১,মুয়াত্তা মালেক-১/২০৮।
২)মহানবী (সাঃ)একবার একদল সাহাবীদেরকে সৈন্যদল হিসেবে একজন কে সেনাপতি নিযুক্ত করে যুদ্ধে পাঠান।সেনাপতি যুদ্ধের দীর্ঘ সময় সুরা ইখলাস দিয়ে নামাজ করেছেন।যুদ্ধ থেকে ফেরার পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে অবহিত করা হয়। তখন মহানবী (সাঃ)তাদেরকে বলেন,তোমার তাকেই জিজ্ঞেস কর কেন সে এমন করেছে। সাহাবীরা তাকে জিজ্ঞাসা করলে সেনাপতি বলেন, এ সুরায় আল্লাহর গুণাবলী বর্নিত হয়েছে, তাই আমি এ সুরা কে ভালবাসি।
তখন মহানবী (সাঃ)বলেন,তোমরাও তাকে বলে দাও, আল্লাহ পাকও তাকে ভালবাসেন।সহীহ্ বুখারি-৭৩৭৫,সহীহ্ মুসলিম -৮১৩,নাসাঈ-২/১৭০।
৩)একবার এক সাহাবী রাসুলুল্লাহ (সাঃ)এর কাছে এসে বললেন, হে আমাদের রাসুল (সাঃ),আমি সুরা ইখলাস কে ভালবাসি।জবাবে রাসুল (সাঃ)বলেন,এ ভালবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। সহীহ্ বুখারী-৭৭৪,তিরমিজি -২৯০১।
৪)রাসুলুল্লাহ (সাঃ)এরশাদ করেন,প্রতিদিন যে ব্যাক্তি ২০০ বার সুরা ইখলাস পাঠ করবে,আল্লাহ তার ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন,কিন্তু ঋন থাকলে তা মাফ করা হবে না।তিরমিজি -২৮৯৮।
.png)
