al quraner bidhan alo#আল কোরআনের বিধান আলো
নামাজ#সালাত# صلاة সস্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পর্ব (২) #al quraner bidhan alo#আল কোরআনের বিধান আলো
(১) সূর্যোদয়ের সময়।
(২)সূর্য যখন ঠিক মাথার উপর।
(৩)সূর্যাস্তের সময়।
(ক)ফরজে আইন (প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীর উপর অবশ্য পালনীয় কর্তব্য যেমনঃ পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ)।
(খ)ফরজে কিফায়া (প্রত্যেকের সমষ্টিগত হয়ে আদায় করা কর্তব্য তবে সমাজের কিছু লোক মিলিত হয়ে আদায় করলে নামাজ হয়ে যাবে। কিন্তু কেউ আদায় না করলে সবাই গুনাহগার হবে যেমন:জানাজার নামাজ ) ।
(২)ওয়াজিব নামাজ(অবশ্য পালনীয় কর্তব্য )যেমনঃ বেতের নামাজ ,উভয় ঈদের নামাজ।
(৩)সুন্নাত নামাজ। সুন্নাত নামাজ দুই প্রকারঃ
(ক)সুন্নাতে মুক্কাদাহ নামাজ(যে সকল নামাজ রাসূলুল্লাহ (সঃ)সবসময় আদায় করতেন এবং আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন বা গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন)। (খ)সুন্নাতে গায়ের মুক্কাদাহ বা যায়েদাহ ( যে সকল নামাজ রাসূলুল্লাহ (সঃ)আদায় করতেন এবং মাঝে মাঝে ছেড়ে দিতেন)।
(২)যোহরের নামাজঃচার রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পূর্বে)। চার রাকআত ফরজ নামাজ। দুই রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পর )। দুই রাকআত নফল নামাজ।
(৩)আসরের নামাজঃচার রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে গায়ের মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পূর্বে)। চার রাকআত ফরজ নামাজ।
(৪)মাগরিবের নামাজঃতিন রাকআত ফরজ নামাজ। দুই রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পর )। দুই রাকআত নফল নামাজ।
(৫)এশার নামাজঃচার রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে গায়ের মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পূর্বে)। চার রাকআত ফরজ নামাজ। দুই রাকআত সুন্নাত (সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পর )। দুই রাকআত নফল নামাজ।
(৬)বিতির নামাজঃতিন রাকআত ওয়াজিব নামাজ।
(৭) জুম্মার নামাজঃচার রাকআত সুন্নাত (কবলাল জুম্মা, সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পূর্বে)। দুই রাকআত ফরজ নামাজ। চার রাকআত সুন্নাত (বাদাল জুম্মা,সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পর )। দুই রাকআত নফল নামাজ।
(৮)ঈদের নামাজঃদুই রাকআত ওয়াজিব নামাজ।
(৯)তারাবীহ নামাজঃবিশ রাকআত নামাজ / বার রাকআত নামাজ / আট রাকআত নামাজ। (সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,ফরজ নামাজের পর)
(১০)তাইহিয়াতুল ওযু নামাজঃদুই রাকআত নফল নামাজ। (নামাজের নিষিদ্ধ সময় ব্যাতিত ওযু করলে এই নামাজ আদায় করা যায়)।
(১১)দুখুলুল মসজিদ নামাজঃদুই রাকআত সুন্নাতে গায়ের মুয়াক্কাদা নামাজ। (নামাজের নিষিদ্ধ সময় ব্যাতিত মসজিদে প্রবেশ করলে এই নামাজ আদায় করা যায়)।
(১২)ইশরাক নামাজ:(সূর্য উঠার পর থেকে আকাশে এক তৃতীয়াংশ উপরে উঠা পর্যন্তু ইশরাক নামাজের সময়)।
(১৩)চাশতের নামাজ:(সূর্য উঠার পর থেকে আকাশে এক তৃতীয়াংশ উপরে উঠার পর থেকে সূর্য ঢলে পড়ার আগে পর্যন্তু চাশতের নামাজের সময়)।
(১৪)সালাতুল আওয়াবিন :মাগরিবের নফল নামাজের পর এই নামাজের সময়। দুই রাকআত করে ৬ রাকআত নফল নামাজ।
(১৫)সালাতুল তাহাজ্জুত : রাতের তৃতীয়াংশে(ঘুম থেকে উঠে ) এই নামাজের সময়। দুই রাকআত করে ৪/৬/৮ রাকআত সুন্নাতে গায়ের মুয়াক্কাদা নামাজ।
(১৬)সালাতুল ইস্তেখারা : কোন সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগলে,এই নামাজ(দুই রাকআত নামাজ ) আদায় করলে আল্লাহর ফয়সালা পাওয়া যায় ।
(১৭)সালাতুল ইস্তেসকা :বৃষ্টি হীনতায় ভুগলে,এই নামাজ(দুই রাকআত নফল নামাজ ) আদায় করলে আল্লাহর ফয়সালা পাওয়া যায় ।
(১৮)সালাতুল তাসবীহ :সালাতের নিষিদ্ধ সময় ব্যাতিত এই নামাজ(চার রাকআত নফল নামাজ ) আদায় করা যায় । চার রাকআত নামাজে ৩০০ বার তাসবীহ পাঠ করতে হয়।
