জামায়াতে সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে :
হযরত হান্নাদ (রাঃ) হযরত ওমর (রাঃ)থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসূলুল্লাহ (সঃ) এরশাদ করেছেন ,জামায়াতে সালাত আদায় করা একা সালাত আদায় করা অপেক্ষা ২৭ গুণ বেশি মর্যাদা /সওয়াব পাওয়া যায়। .............ইবনু মাজাহ ৭৮৯ ।
মুসা ইব্নে ইসমাইল (র:) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসূলুল্লাহ (সঃ)বলেছেন যে,কোন ব্যাক্তির জামায়াতে সালাত আদায়ের সওয়াব,তার নিজের ঘরে,বাজারে আদায়কৃত সালাতের সওয়াবের দ্বিগুন করে ২৫গুণ বাড়াইয়া দেওয়া হয়।এর কারণ এই যে,সে যখন উত্তম রূপে ওজু করলো,তারপর একমাত্র সালাতের উদ্দ্যেশে মসজিদে রওয়ানা করলো তখন তার প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি সওয়াব দান করা হয় এবং একটি গুনা মাফ করা হয়। সালাত আদায় করার পর সে নিজ সালাতের স্থানে বসে থাকে,ফিরিশতাগণ তার জন্য এ বলে দোয়া করতে থাকেন"হে আল্লাহ আপনি তার উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তার প্রতি অনুগ্রহ করুন"। আর তোমাদের কেউ সালাতের অপেক্ষায় থাকে ততক্ষন পর্যন্তু সালাতে রত বলে গণ্য হয়। .............বুখারী ৬১৮
উমর ইব্নে হাফ্স ইব্নে গিয়াস(র)আসওয়াদ (র)থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন , একদা আমরা আয়েশা (রাঃ)এর কাছে ছিলাম এবং সালাতের পাবন্দি ও উহার তা'যীম সমন্ধে আলোচনা করছিলাম। আয়েশা (রাঃ)বললেন,নবী (সঃ)যখন অন্তিম রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লেন,তখন সালাতের সময় হলে আজান দেয়া হলো,তখন তিনি বললেন,আবু বক্কর কে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলো। তাকে বলা হলো যে,আবু বক্কর (রাঃ)অত্যন্ত কোমল রিদয়ের লোক,তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন তখন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না.রাসূল (সঃ) আবারো সে কথা বললেন এবং তারাও আবার তা-ই বললেন। রাসূল (সঃ) তৃতীয় বার একই কথা বললেন।তিনি আরো বললেন:তোমরা ইউসুফ (আ:)এর সাথী মহিলাদের মতো.আবু বক্করকে বলো,যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে নেয়.আবু বক্কর (রাঃ) এগিয়ে গিয়ে সালাত শুরু করলেন। এদিকে নবী (সঃ)নিজেকে একটু হালকা বোধ করলেন। দুজন লোকের কাঁধে ভর দিয়ে বেরিয়ে এলেন। আয়িশা (রাঃ)বলেন আমার চোখে এখনো স্পষ্ট ভাষছে। অসুস্থতার কারণে তার দু পা মাটির উপর হেঁচড়ে যাচ্চিলো।তখন আবু বক্কর (রাঃ) পেছনে সরে আসতে চাইলেন। নবী (সঃ)তাকে স্বস্থানে থাকার জন্য ইঙ্গিত করলেন। তারপর নবী (সঃ)একটু সামনে আনা হলো,তিনি আবু বক্কর (রাঃ)এর পাশে বসলেন। আ'মাশ (রাঃ)জিজ্ঞাসা করা হলো, তা হলে নবী (সঃ) ইমামতি করছিলেন। আর আবু বক্কর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)এর অনুসরণে সালাত আদায় করছিলেন এবং লোকেরা আবু বক্কর (রাঃ) এর সালাতের অনুকরণ করছিলো। আ'মাশ (রাঃ)মাথার ইশারায় বললেন "হ্যাঁ".আবু দাউদ (র:)শুবা (র:)সূত্রে আ'মাশ (রাঃ) হাদিসের কতকাংশ উল্লেখ করেছেন। আবু মুয়াবিয়া (র:) নবী (সঃ)তাকে স্বস্থানে থাকার জন্য ইঙ্গিত করলেন। তারপর নবী (সঃ)একটু সামনে আনা হলো,তিনি আবু বক্কর (রাঃ)এর পাশে বসলেন। আ'মাশ (রাঃ)জিজ্ঞাসা করা হলো, তা হলে নবী (সঃ) ইমামতি করছিলেন। আর আবু বক্কর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)এর অনুসরণে সালাত আদায় করছিলেন এবং লোকেরা আবু বক্কর (রাঃ) এর সালাতের অনুকরণ করছিলো। আ'মাশ (রাঃ)মাথার ইশারায় বললেন "হ্যাঁ".আবু দাউদ (র:)শুবা (র:)সূত্রে আ'মাশ (রাঃ) হাদিসের কতকাংশ উল্লেখ করেছেন। আবু মুয়াবিয়া (র:) অতিরিক্ত বলেছেন,তিনি আবু বক্কর (রাঃ)এর বা দিকে বসেছিলেন এবং আবু বক্কর (রাঃ) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন।
বুখারী।....... ৬৩১
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসলামা (র) সালিম ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাঃ) তার পিতা হতে বর্ণিত যে,রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন সালাত শুরু করতেন,তখন তার উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন।আর রুকুতে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন,তখন ও অনুরূপভাবে দুই হাত উঠাতেন এবং سمع الله لمن حمده ও ربنا ولك الحمد বলতেন।কিন্তু সিজদার সময় এরূপ করতেন না। সহীহ বুখারী (৬৯৯)অনুচ্ছেদঃ (৪৭৫)ই ফা বা
